বিপদের মুখে বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় | ফাটল ধরা ভবন, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ, কাদায় ভরা রাস্তা
বিপদের মুখে বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় | ফাটল ধরা ভবন, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ, কাদায় ভরা রাস্তা
নবগ্রাম ব্লক থেকে আসছে এক উদ্বেগজনক খবর।
মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম ব্লকের নবগ্রাম পশ্চিম চক্রের পাঁচগ্রাম অঞ্চলের ১ নম্বর বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই স্কুলেই পড়াশোনা করতে এসে প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে খুদে পড়ুয়ারা।
স্কুল ভবনের দেওয়ালে চওড়া ফাটল, ফাটলের পাশ দিয়েই গিয়েছে ইলেকট্রিক ওয়ারিংয়ের তার। তার উপর স্কুলের গেটের সামনের কাঁচা রাস্তা আর স্কুল লাগোয়া পুকুরের পাশে নেই কোনও বাউন্ডারি।
সব মিলিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
বিস্তারিত দেখুন আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনে।
ক্লাসরুমের দেওয়ালে দেখা দিয়েছে চওড়া ফাটল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষার সময় সেই ফাটল দিয়ে জলও ঢোকে। ফলে বৃষ্টির দিনে ঠিকমতো পঠন-পাঠন চালানো কার্যত কঠিন হয়ে পড়ে।
আরও উদ্বেগের বিষয়, ফাটলের পাশ দিয়েই রয়েছে ইলেকট্রিক ওয়ারিংয়ের তার। ফলে কোনওভাবে তার ক্ষতিগ্রস্ত হলে শর্ট সার্কিটের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।
শুধু স্কুল ভবনই নয়, সমস্যায় পড়তে হয় স্কুলে যাতায়াতের পথেও।
স্কুলের গেট থেকে মাত্র প্রায় ৫০ থেকে ১০০ মিটার রাস্তা পুরোপুরি কাঁচা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই রাস্তা পরিণত হয় কাদা ও পিচ্ছিল পথে।
ছোট ছোট পড়ুয়াদের স্কুলে যাতায়াতের সময় অনেকেই পড়ে যায় বলে অভিযোগ। নষ্ট হয় জামাকাপড়, ব্যাগ এবং বই-খাতা।
অভিভাবকদের আরও বড় চিন্তা স্কুল লাগোয়া পুকুর নিয়ে। পুকুরের পাশে কোনও বাউন্ডারি না থাকায় খুদে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় বলেই দাবি তাঁদের।
অভিভাবকদের বক্তব্য,
“ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে আমরা চিন্তায় থাকি। দেওয়ালের অবস্থা ভালো নয়। কখন কী হয় বলা যায় না। তার উপর স্কুলের পাশে পুকুর, কোনও বাউন্ডারি নেই। বাচ্চারা খেলতে গিয়ে যদি বিপদে পড়ে, তখন কী হবে?”
স্থানীয়দের দাবি, স্কুলের এই সমস্যাগুলির কথা প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান হয়নি।
শিক্ষার অধিকার মানে শুধু বই-খাতা আর শ্রেণিকক্ষ নয়—পড়ুয়াদের জন্য একটি নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশও অত্যন্ত জরুরি।
তাই গ্রামবাসীদের দাবি, দ্রুত স্কুল ভবনের ফাটল মেরামত করতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করে নিরাপদ করতে হবে, কাঁচা রাস্তার সংস্কার করতে হবে এবং স্কুল লাগোয়া পুকুরের পাশে তৈরি করতে হবে বাউন্ডারি।
এখন প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন একটাই—
আর কতদিন এই ঝুঁকি নিয়ে চলবে বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন?
আর কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে কি প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে?
বলাই প্রামানিকের রিপোর্ট
নবগ্রাম ব্লক থেকে আসছে এক উদ্বেগজনক খবর।
মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম ব্লকের নবগ্রাম পশ্চিম চক্রের পাঁচগ্রাম অঞ্চলের ১ নম্বর বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই স্কুলেই পড়াশোনা করতে এসে প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে খুদে পড়ুয়ারা।
স্কুল ভবনের দেওয়ালে চওড়া ফাটল, ফাটলের পাশ দিয়েই গিয়েছে ইলেকট্রিক ওয়ারিংয়ের তার। তার উপর স্কুলের গেটের সামনের কাঁচা রাস্তা আর স্কুল লাগোয়া পুকুরের পাশে নেই কোনও বাউন্ডারি।
সব মিলিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
বিস্তারিত দেখুন আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনে।
ক্লাসরুমের দেওয়ালে দেখা দিয়েছে চওড়া ফাটল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষার সময় সেই ফাটল দিয়ে জলও ঢোকে। ফলে বৃষ্টির দিনে ঠিকমতো পঠন-পাঠন চালানো কার্যত কঠিন হয়ে পড়ে।
আরও উদ্বেগের বিষয়, ফাটলের পাশ দিয়েই রয়েছে ইলেকট্রিক ওয়ারিংয়ের তার। ফলে কোনওভাবে তার ক্ষতিগ্রস্ত হলে শর্ট সার্কিটের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।
শুধু স্কুল ভবনই নয়, সমস্যায় পড়তে হয় স্কুলে যাতায়াতের পথেও।
স্কুলের গেট থেকে মাত্র প্রায় ৫০ থেকে ১০০ মিটার রাস্তা পুরোপুরি কাঁচা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই রাস্তা পরিণত হয় কাদা ও পিচ্ছিল পথে।
ছোট ছোট পড়ুয়াদের স্কুলে যাতায়াতের সময় অনেকেই পড়ে যায় বলে অভিযোগ। নষ্ট হয় জামাকাপড়, ব্যাগ এবং বই-খাতা।
অভিভাবকদের আরও বড় চিন্তা স্কুল লাগোয়া পুকুর নিয়ে। পুকুরের পাশে কোনও বাউন্ডারি না থাকায় খুদে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় বলেই দাবি তাঁদের।
অভিভাবকদের বক্তব্য,
“ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে আমরা চিন্তায় থাকি। দেওয়ালের অবস্থা ভালো নয়। কখন কী হয় বলা যায় না। তার উপর স্কুলের পাশে পুকুর, কোনও বাউন্ডারি নেই। বাচ্চারা খেলতে গিয়ে যদি বিপদে পড়ে, তখন কী হবে?”
স্থানীয়দের দাবি, স্কুলের এই সমস্যাগুলির কথা প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান হয়নি।
শিক্ষার অধিকার মানে শুধু বই-খাতা আর শ্রেণিকক্ষ নয়—পড়ুয়াদের জন্য একটি নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশও অত্যন্ত জরুরি।
তাই গ্রামবাসীদের দাবি, দ্রুত স্কুল ভবনের ফাটল মেরামত করতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষা করে নিরাপদ করতে হবে, কাঁচা রাস্তার সংস্কার করতে হবে এবং স্কুল লাগোয়া পুকুরের পাশে তৈরি করতে হবে বাউন্ডারি।
এখন প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন একটাই—
আর কতদিন এই ঝুঁকি নিয়ে চলবে বুড়ারডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন?
আর কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগে কি প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে?
বলাই প্রামানিকের রিপোর্ট