DCR জালিয়াতি কাণ্ডে বড় গ্রেফতারি, কলকাতা থেকে ধৃত প্রাক্তন ডেপুটি DL&LRO রবিউল ইসলাম
DCR জালিয়াতি কাণ্ডে বড় গ্রেফতারি, কলকাতা থেকে ধৃত প্রাক্তন ডেপুটি DL&LRO রবিউল ইসলাম
১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন, ৮ দিনের নির্দেশ আদালতের; নিজেকে চক্রান্তের শিকার বলে দাবি ধৃতের
খড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ: বহুল চর্চিত ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট (DCR) জালিয়াতি মামলায় তদন্তে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল বীরভূম জেলা পুলিশ। কলকাতার বেহালা থেকে গ্রেফতার করা হলো ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের প্রাক্তন ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট ল্যান্ড অ্যান্ড ল্যান্ড রিফর্মস অফিসার (Deputy DL&LRO) রবিউল ইসলামকে। গত রবিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করে সিউড়িতে নিয়ে আসে পুলিশ। গত সোমবার ২রা নভেম্বর সিউড়ি জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তার ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রবিউল ইসলামকে বেহালা থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজনে কলকাতায় থাকার কথা জানান তিনি। এরপর থানায় হাজিরা দিতে গেলে বীরভূম জেলা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে সিউড়িতে নিয়ে আসা হয়।
গত সোমবার ধৃতকে সিউড়ি জেলা আদালতে পেশ করে তদন্তের স্বার্থে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় পুলিশ। তবে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারক রবিউল ইসলামের ৮দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেন বলে জানান আইনজীবী অসীম কুমার দাস।
এদিকে, আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন ধৃত প্রাক্তন আধিকারিক। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমি চক্রান্তের শিকার হয়েছি। ওই সময় যারা DLRO এবং জেলাশাসকের দায়িত্বে ছিলেন, তারাই সব জানেন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।”
উল্লেখ্য, রবিউল ইসলাম একসময় মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার অন্তর্গত খড়গ্রাম ব্লকের বিডিও হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে বীরভূমের DCR জালিয়াতি মামলায় তার গ্রেফতারির ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে।
তদন্তকারীদের কাছে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই জালিয়াতির সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর চক্র কাজ করেছে কি না। ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে রবিউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তের নতুন কোনও দিক সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে। বহুল আলোচিত এই মামলায় আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন, ৮ দিনের নির্দেশ আদালতের; নিজেকে চক্রান্তের শিকার বলে দাবি ধৃতের
খড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ: বহুল চর্চিত ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট (DCR) জালিয়াতি মামলায় তদন্তে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল বীরভূম জেলা পুলিশ। কলকাতার বেহালা থেকে গ্রেফতার করা হলো ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের প্রাক্তন ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট ল্যান্ড অ্যান্ড ল্যান্ড রিফর্মস অফিসার (Deputy DL&LRO) রবিউল ইসলামকে। গত রবিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করে সিউড়িতে নিয়ে আসে পুলিশ। গত সোমবার ২রা নভেম্বর সিউড়ি জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তার ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রবিউল ইসলামকে বেহালা থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজনে কলকাতায় থাকার কথা জানান তিনি। এরপর থানায় হাজিরা দিতে গেলে বীরভূম জেলা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে সিউড়িতে নিয়ে আসা হয়।
গত সোমবার ধৃতকে সিউড়ি জেলা আদালতে পেশ করে তদন্তের স্বার্থে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় পুলিশ। তবে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শোনার পর বিচারক রবিউল ইসলামের ৮দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেন বলে জানান আইনজীবী অসীম কুমার দাস।
এদিকে, আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন ধৃত প্রাক্তন আধিকারিক। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমি চক্রান্তের শিকার হয়েছি। ওই সময় যারা DLRO এবং জেলাশাসকের দায়িত্বে ছিলেন, তারাই সব জানেন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।”
উল্লেখ্য, রবিউল ইসলাম একসময় মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার অন্তর্গত খড়গ্রাম ব্লকের বিডিও হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফলে বীরভূমের DCR জালিয়াতি মামলায় তার গ্রেফতারির ঘটনায় মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে।
তদন্তকারীদের কাছে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই জালিয়াতির সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর চক্র কাজ করেছে কি না। ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে রবিউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তের নতুন কোনও দিক সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে। বহুল আলোচিত এই মামলায় আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।