Politics
নির্বাচন কমিশনে তৃণমূল নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগে ঋতব্রত ও মমতা শিবিরের মুখোমুখি
নির্বাচন কমিশনের নথি জমা শেষ দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরের মধ্যে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠে, যা ৩০ অক্টোবরের মুখোমুখি শুনানিতে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
নির্বাচন কমিশনের নথি জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবির—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়—এর মধ্যে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
ঋতব্রত শিবিরের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে অভিযোগ করেন যে মমতা শিবিরের নথি জমা দেওয়ার আগে তা ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয়েছে; তবে মমতা শিবিরের ঘনিষ্ঠ নেতা বলেন নথি না থাকলে ছিনতাইয়ের প্রশ্নই ওঠে না।
মমতা শিবির বারবার নথি জমা দিয়েছে, আর ঋতব্রত শিবির সময়ের জন্য পিছিয়ে রয়েছে; কিছু বিধায়ক মমতা শিবিরে ফিরে এসেছেন, অন্যরা দূরত্ব বজায় রেখেছেন; মামলাও সুপ্রিম কোর্টে চলমান।
২৫ অক্টোবর কালীঘাট শিবিরের চার্টার্ড ফ্লাইটে নথি দিল্লিতে পাঠানোর সময় ট্রাক আটকে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠে। ঋতব্রত শিবিরের কটাক্ষে এটিকে "ছোটখাটো যুদ্ধ" বলা হয়েছে: "চার্টার্ড সংস্কৃতি এবং তৃণমূল স্তরের মধ্যে একটা ছোটখাটো যুদ্ধ হয়ে গেল। সবসময় গায়ের জোরে সবকিছু লুটের চেষ্টা সফল হয় না।" মমতা শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন: "কেউ বিশ্বাস করবে? সব গল্প। পুলিশ দিয়ে জোর করে যতজন বিধায়কের সই হয়েছিল, ওতজন বিধায়করা তো এবার সই-ও করেনি।"
নির্বাচন কমিশন ৩০ অক্টোবর দুই শিবিরকে মুখোমুখি করে তাদের যুক্তি ও নথির ভিত্তিতে আসল তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রতীক নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেবে; নথি ছিনতাইয়ের প্রশ্ন এখনও উন্মুক্ত।
ঋতব্রত শিবিরের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে অভিযোগ করেন যে মমতা শিবিরের নথি জমা দেওয়ার আগে তা ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয়েছে; তবে মমতা শিবিরের ঘনিষ্ঠ নেতা বলেন নথি না থাকলে ছিনতাইয়ের প্রশ্নই ওঠে না।
মমতা শিবির বারবার নথি জমা দিয়েছে, আর ঋতব্রত শিবির সময়ের জন্য পিছিয়ে রয়েছে; কিছু বিধায়ক মমতা শিবিরে ফিরে এসেছেন, অন্যরা দূরত্ব বজায় রেখেছেন; মামলাও সুপ্রিম কোর্টে চলমান।
২৫ অক্টোবর কালীঘাট শিবিরের চার্টার্ড ফ্লাইটে নথি দিল্লিতে পাঠানোর সময় ট্রাক আটকে নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠে। ঋতব্রত শিবিরের কটাক্ষে এটিকে "ছোটখাটো যুদ্ধ" বলা হয়েছে: "চার্টার্ড সংস্কৃতি এবং তৃণমূল স্তরের মধ্যে একটা ছোটখাটো যুদ্ধ হয়ে গেল। সবসময় গায়ের জোরে সবকিছু লুটের চেষ্টা সফল হয় না।" মমতা শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন: "কেউ বিশ্বাস করবে? সব গল্প। পুলিশ দিয়ে জোর করে যতজন বিধায়কের সই হয়েছিল, ওতজন বিধায়করা তো এবার সই-ও করেনি।"
নির্বাচন কমিশন ৩০ অক্টোবর দুই শিবিরকে মুখোমুখি করে তাদের যুক্তি ও নথির ভিত্তিতে আসল তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রতীক নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেবে; নথি ছিনতাইয়ের প্রশ্ন এখনও উন্মুক্ত।