বছরের পর বছর নদীগর্ভে ঘরবাড়ি-জমি, অনিশ্চয়তায় হাজারো পরিবার—জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন.
মুর্শিদাবাদ: পদ্মার ভাঙন যেন মুর্শিদাবাদের মানুষের কাছে এক দীর্ঘস্থায়ী আতঙ্কের নাম। বছরের পর বছর নদীর গ্রাসে ঘরবাড়ি, চাষের জমি ও বসতভিটে হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন বহু পরিবার। রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার রাঁধাকৃষ্ণপুর থেকে লালগোলা বিধানসভার তারানগর—একাধিক ভাঙনকবলিত এলাকায় এখনও অব্যাহত মানুষের দুর্ভোগ।
নদীভাঙনে একের পর এক পরিবারকে হারাতে হচ্ছে নিজেদের বসতভিটে। মাথার উপর ছাদ, চাষের জমি কিংবা ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা—সবকিছু হারিয়ে অনেকেই আজ কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভাঙনের আতঙ্কে রাত কাটছে বহু পরিবারের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস মিললেও স্থায়ী সমাধানের দেখা মেলেনি। নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অভাব নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে তাঁদের মধ্যে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, বদলেছে সরকার ও জনপ্রতিনিধি। কিন্তু ভাঙনকবলিত মানুষের প্রশ্ন একই—নদীর গ্রাস থেকে তাঁদের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ কবে?
অভিযোগ উঠছে, বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান এখনও অধরা। ফলে দিন দিন বাড়ছে মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা।
রাঁধাকৃষ্ণপুর, তারানগর-সহ পদ্মাতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, শুধু সাময়িক ত্রাণ বা আশ্বাস নয়, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং হারিয়ে যাওয়া জমি-ঘরবাড়ির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হোক।
পদ্মার ভাঙনে যখন একের পর এক পরিবার সর্বস্ব হারাচ্ছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—আর কত ঘর নদীগর্ভে গেলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? মানুষের এই দীর্ঘদিনের আর্তনাদ কি এবারও উপেক্ষিতই থেকে যাবে?
নদীভাঙনে একের পর এক পরিবারকে হারাতে হচ্ছে নিজেদের বসতভিটে। মাথার উপর ছাদ, চাষের জমি কিংবা ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা—সবকিছু হারিয়ে অনেকেই আজ কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভাঙনের আতঙ্কে রাত কাটছে বহু পরিবারের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস মিললেও স্থায়ী সমাধানের দেখা মেলেনি। নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর পদক্ষেপের অভাব নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে তাঁদের মধ্যে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, বদলেছে সরকার ও জনপ্রতিনিধি। কিন্তু ভাঙনকবলিত মানুষের প্রশ্ন একই—নদীর গ্রাস থেকে তাঁদের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ কবে?
অভিযোগ উঠছে, বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান এখনও অধরা। ফলে দিন দিন বাড়ছে মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা।
রাঁধাকৃষ্ণপুর, তারানগর-সহ পদ্মাতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, শুধু সাময়িক ত্রাণ বা আশ্বাস নয়, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং হারিয়ে যাওয়া জমি-ঘরবাড়ির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হোক।
পদ্মার ভাঙনে যখন একের পর এক পরিবার সর্বস্ব হারাচ্ছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—আর কত ঘর নদীগর্ভে গেলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? মানুষের এই দীর্ঘদিনের আর্তনাদ কি এবারও উপেক্ষিতই থেকে যাবে?