ভাকুরিবাগান পাড়া কালীপুজোয় বিশেষ আকর্ষণ ‘রক্তবীজ অসুর বিনাশিনী মা’
ভাকুরিবাগান পাড়া কালীপুজোয় বিশেষ আকর্ষণ ‘রক্তবীজ অসুর বিনাশিনী মা’
বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ: শ্যামাপুজোয় দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে বিশেষ ভাবনায় সেজে উঠছে বহরমপুরের ভাকুরিবাগান পাড়া। প্রভাত সংঘের পরিচালনায় ৩৯তম বর্ষের কালীপুজোয় এবারের মূল আকর্ষণ ‘রক্তবীজ অসুর বিনাশিনী মা’। পৌরাণিক কাহিনিকে কেন্দ্র করে তৈরি এই থিম দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা।
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, রক্তবীজ অসুরের সঙ্গে ভয়ংকর যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দেবী কালী। রক্তবীজের রক্তের প্রতিটি বিন্দু থেকে নতুন অসুরের জন্ম হওয়ার কাহিনি এবং শেষ পর্যন্ত দেবীর হাতে তার বিনাশের ঘটনাকে এবারের থিমের মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। দেবীর শক্তি, অসুর বিনাশ এবং পৌরাণিক আখ্যানের বিভিন্ন দিক এই বিশেষ ভাবনায় ফুটিয়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রভাত সংঘের পরিচালনায় ৩৯তম বর্ষের এই পুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য তথা বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি বাবন হালদার জানান, এবারের বিশেষ থিমকে বাস্তব রূপ দিতে জোরকদমে কাজ চলছে। দর্শনার্থীদের সামনে পৌরাণিক কাহিনিকে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
এই বিশেষ থিমের আকর্ষণে মুর্শিদাবাদ জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার বাসিন্দাদেরও পুজো মণ্ডপে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রভাত সংঘ। ৩৯তম বর্ষের এই কালীপুজো দর্শনার্থীদের কতটা আকর্ষণ করতে পারে, এখন সেদিকেই নজর।
বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ: শ্যামাপুজোয় দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে বিশেষ ভাবনায় সেজে উঠছে বহরমপুরের ভাকুরিবাগান পাড়া। প্রভাত সংঘের পরিচালনায় ৩৯তম বর্ষের কালীপুজোয় এবারের মূল আকর্ষণ ‘রক্তবীজ অসুর বিনাশিনী মা’। পৌরাণিক কাহিনিকে কেন্দ্র করে তৈরি এই থিম দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা।
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, রক্তবীজ অসুরের সঙ্গে ভয়ংকর যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দেবী কালী। রক্তবীজের রক্তের প্রতিটি বিন্দু থেকে নতুন অসুরের জন্ম হওয়ার কাহিনি এবং শেষ পর্যন্ত দেবীর হাতে তার বিনাশের ঘটনাকে এবারের থিমের মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। দেবীর শক্তি, অসুর বিনাশ এবং পৌরাণিক আখ্যানের বিভিন্ন দিক এই বিশেষ ভাবনায় ফুটিয়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রভাত সংঘের পরিচালনায় ৩৯তম বর্ষের এই পুজোকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য তথা বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি বাবন হালদার জানান, এবারের বিশেষ থিমকে বাস্তব রূপ দিতে জোরকদমে কাজ চলছে। দর্শনার্থীদের সামনে পৌরাণিক কাহিনিকে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
এই বিশেষ থিমের আকর্ষণে মুর্শিদাবাদ জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার বাসিন্দাদেরও পুজো মণ্ডপে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রভাত সংঘ। ৩৯তম বর্ষের এই কালীপুজো দর্শনার্থীদের কতটা আকর্ষণ করতে পারে, এখন সেদিকেই নজর।