राजनीति
তৃণমূল-সিপিএম আঁতাত ও SIR ইস্যুতে মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে বিজেপির সাংবাদিক বৈঠক
কলকাতায় বিজেপির এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের আঁতাত এবং SIR ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে সরব হলেন দলীয় নেতৃত্ব। তারা এই প্রচারকে 'মিথ্যাচার' বলে অভিহিত করেছেন।
কলকাতায় বিজেপির এক সাংবাদিক বৈঠকে দলীয় নেতৃত্ব তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের আঁতাত নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়েছিল, অথচ এখন সেই সিপিএম এবং তৃণমূল একে অপরের হাত ধরে যৌথভাবে সাংবাদিক সম্মেলন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাচ্ছে। বিধানসভার ভিতরেও এই আঁতাত দেখা গেছে, বিশেষ করে SIR ইস্যুতে।
বিজেপি নেতাদের মতে, দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে আতঙ্কিত হয়েই রাজ্য সরকার এই ধরণের কথাবার্তা বলছে। তারা দাবি করেন, গতকাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং তাঁর সাথী কমিশনারদের যৌথ প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে যে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ছিল না। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এক্সট্রাঅর্ডিনারি পাওয়ার ব্যবহার করে আর্টিকেল ১৪২ প্রয়োগ করে বিচারপতিদের নিয়োগ করেছিল।
নেতৃত্ব আরও বলেন, ৬০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাতিল করা হয়েছে। এর দায়ভার কেন্দ্র, রাজ্য সরকারের কোনও আধিকারিক বা ভারতীয় জনতা পার্টির নয়। এটি আদালতের সিদ্ধান্তেই হয়েছে। এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধেই আজকের এই প্রেস কনফারেন্স।
এছাড়াও, গতকাল DIB, হোম ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে একটি বিল নিয়ে যে মিথ্যাচার একই সংবাদমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তারও বিরোধিতা করা হয়। শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানের একটি সভা প্রসঙ্গে তারা বলেন, সেই সভা কার্যত জনশূন্য ছিল এবং সেখানে মাত্র দেড়শো লোক উপস্থিত ছিল, যার জন্য একশো সত্তর জন পুলিশ মোতায়েন ছিল।
বিজেপি নেতাদের মতে, দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে আতঙ্কিত হয়েই রাজ্য সরকার এই ধরণের কথাবার্তা বলছে। তারা দাবি করেন, গতকাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং তাঁর সাথী কমিশনারদের যৌথ প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রমাণ হচ্ছে যে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ছিল না। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট এক্সট্রাঅর্ডিনারি পাওয়ার ব্যবহার করে আর্টিকেল ১৪২ প্রয়োগ করে বিচারপতিদের নিয়োগ করেছিল।
নেতৃত্ব আরও বলেন, ৬০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির মধ্যে ২৭ লক্ষ নাম বাতিল করা হয়েছে। এর দায়ভার কেন্দ্র, রাজ্য সরকারের কোনও আধিকারিক বা ভারতীয় জনতা পার্টির নয়। এটি আদালতের সিদ্ধান্তেই হয়েছে। এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধেই আজকের এই প্রেস কনফারেন্স।
এছাড়াও, গতকাল DIB, হোম ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে একটি বিল নিয়ে যে মিথ্যাচার একই সংবাদমাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তারও বিরোধিতা করা হয়। শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানের একটি সভা প্রসঙ্গে তারা বলেন, সেই সভা কার্যত জনশূন্য ছিল এবং সেখানে মাত্র দেড়শো লোক উপস্থিত ছিল, যার জন্য একশো সত্তর জন পুলিশ মোতায়েন ছিল।