*সাইবার প্রতারণার ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা উদ্ধার* মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার পুলিশের বড় সাফল্য!
*সাইবার প্রতারণার ৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা উদ্ধার*
মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার পুলিশের বড় সাফল্য!
সাইবার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে খোয়া যাওয়া চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা মাত্র দশ দিনের মধ্যেই উদ্ধার করল পুলিশ। নবগ্রাম থানায় এই প্রথম এত বড় পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত চৌঠা সেপ্টেম্বর নবগ্রামের সুকী এলাকার বাসিন্দা বরুণ প্রধান সাইবার প্রতারণার শিকার হন। তার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতারণা করে চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। এরপর তিনি সাইবার ক্রাইম পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরই তৎপর হয় নবগ্রাম থানার সাইবার হেল্প ডেস্ক। শুরু হয় তদন্ত। নবগ্রাম থানার ওসি জগন্নাথ ঘোষের নেতৃত্বে সাইবার হেল্প ডেস্কের আধিকারিকরা দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করতে শুরু করেন। আর তারই ফল মাত্র দশ দিনের মধ্যেই প্রতারণার সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। শনিবার নবগ্রাম থানায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া টাকার চেক অভিযোগকারী বরুণ প্রধানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চেক হাতে পেয়ে পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এদিন থানায় উপস্থিত ছিলেন লালবাগের এসডিপিও তমাল দত্ত, লালবাগ সার্কেল ইন্সপেক্টর রবি মালাকার এবং নবগ্রাম থানার ওসি জগন্নাথ ঘোষ। এই ঘটনার পর নবগ্রাম থানার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, সাইবার প্রতারণার শিকার হলে দেরি না করে সঙ্গে ১৯৩০ নম্বরে ফোন করুন অথবা http://cybercrime.gov.in পোর্টালে অভিযোগ জানান। মনে রাখবেন, যত তাড়াতাড়ি অভিযোগ জানাবেন, টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা তত বেশি।
মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার পুলিশের বড় সাফল্য!
সাইবার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে খোয়া যাওয়া চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা মাত্র দশ দিনের মধ্যেই উদ্ধার করল পুলিশ। নবগ্রাম থানায় এই প্রথম এত বড় পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত চৌঠা সেপ্টেম্বর নবগ্রামের সুকী এলাকার বাসিন্দা বরুণ প্রধান সাইবার প্রতারণার শিকার হন। তার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতারণা করে চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা। এরপর তিনি সাইবার ক্রাইম পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরই তৎপর হয় নবগ্রাম থানার সাইবার হেল্প ডেস্ক। শুরু হয় তদন্ত। নবগ্রাম থানার ওসি জগন্নাথ ঘোষের নেতৃত্বে সাইবার হেল্প ডেস্কের আধিকারিকরা দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করতে শুরু করেন। আর তারই ফল মাত্র দশ দিনের মধ্যেই প্রতারণার সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। শনিবার নবগ্রাম থানায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া টাকার চেক অভিযোগকারী বরুণ প্রধানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চেক হাতে পেয়ে পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এদিন থানায় উপস্থিত ছিলেন লালবাগের এসডিপিও তমাল দত্ত, লালবাগ সার্কেল ইন্সপেক্টর রবি মালাকার এবং নবগ্রাম থানার ওসি জগন্নাথ ঘোষ। এই ঘটনার পর নবগ্রাম থানার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, সাইবার প্রতারণার শিকার হলে দেরি না করে সঙ্গে ১৯৩০ নম্বরে ফোন করুন অথবা http://cybercrime.gov.in পোর্টালে অভিযোগ জানান। মনে রাখবেন, যত তাড়াতাড়ি অভিযোগ জানাবেন, টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা তত বেশি।