National
ওড়িশার গভীর সমুদ্রে গ্যাসের সন্ধান, জ্বালানি ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো
Watch on:
📷 Instagram
ওড়িশার উপকূলের কাছে গভীর সমুদ্রে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে ওএনজিসি। মহানদী অববাহিকায় ‘সমুদ্র মন্থন’ অভিযানের আওতায় সংস্থাটির প্রথম গভীর সমুদ্রের কূপে গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া গিয়েছে। এই সাফল্য দেশের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনাকে আরও একবার সামনে নিয়ে এল।
ওড়িশার উপকূল থেকে দূরে, গভীর সমুদ্রে মিলল নতুন আশার খবর। মহানদী অববাহিকায় গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ওএনজিসি লিমিটেড। ‘সমুদ্র মন্থন’ অভিযানের অধীনে সংস্থাটির প্রথম গভীর সমুদ্রের অনুসন্ধানী কূপে প্রাথমিকভাবে গ্যাসের উৎসাহব্যঞ্জক প্রবাহ পাওয়া গিয়েছে।
গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস খুঁজে বের করা সহজ কাজ নয়। প্রতিকূল পরিবেশ ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য তাই দেশের জ্বালানি অনুসন্ধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মহানদী অববাহিকায় এর আগেও একাধিক অনুসন্ধান ও আবিষ্কার হয়েছে। নতুন এই সাফল্য সেই অনুসন্ধানে আরও গতি আনতে পারে। ভারতের সমুদ্রসীমার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের পথ আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে নিজস্ব সম্পদের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের মাটির পাশাপাশি সমুদ্রের নিচে থাকা সম্পদকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। মহানদী অববাহিকায় ওএনজিসির এই সাফল্য সেই প্রচেষ্টায় নতুন উৎসাহ যোগ করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের অফশোর সম্পদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়টিও এই আবিষ্কারের মাধ্যমে সামনে এসেছে।
তবে এই আবিষ্কারের প্রকৃত সম্ভাবনা কতটা, তা জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়ন প্রয়োজন। সেই কাজ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মহানদী অববাহিকায় কতটা জ্বালানি সম্পদ রয়েছে, তার একটি পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে।
একটি বিষয় অবশ্য স্পষ্ট—ওড়িশার উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে পাওয়া এই গ্যাসের সন্ধান ভারতের গভীর সমুদ্রভিত্তিক জ্বালানি অনুসন্ধানে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
রিপোর্টিং: শুভজিৎ দাস, কলকাতা
গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস খুঁজে বের করা সহজ কাজ নয়। প্রতিকূল পরিবেশ ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এই সাফল্য তাই দেশের জ্বালানি অনুসন্ধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মহানদী অববাহিকায় এর আগেও একাধিক অনুসন্ধান ও আবিষ্কার হয়েছে। নতুন এই সাফল্য সেই অনুসন্ধানে আরও গতি আনতে পারে। ভারতের সমুদ্রসীমার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের পথ আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে নিজস্ব সম্পদের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের মাটির পাশাপাশি সমুদ্রের নিচে থাকা সম্পদকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। মহানদী অববাহিকায় ওএনজিসির এই সাফল্য সেই প্রচেষ্টায় নতুন উৎসাহ যোগ করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের অফশোর সম্পদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়টিও এই আবিষ্কারের মাধ্যমে সামনে এসেছে।
তবে এই আবিষ্কারের প্রকৃত সম্ভাবনা কতটা, তা জানতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মূল্যায়ন প্রয়োজন। সেই কাজ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে মহানদী অববাহিকায় কতটা জ্বালানি সম্পদ রয়েছে, তার একটি পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে।
একটি বিষয় অবশ্য স্পষ্ট—ওড়িশার উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে পাওয়া এই গ্যাসের সন্ধান ভারতের গভীর সমুদ্রভিত্তিক জ্বালানি অনুসন্ধানে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
রিপোর্টিং: শুভজিৎ দাস, কলকাতা