নতুন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে নিষেধাজ্ঞা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
यहाँ देखें:
📘 Facebook
পশ্চিমবঙ্গে ভবিষ্যতে নতুন করে নিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না এবং পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে ইতিমধ্যে কর্মরত ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টি স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
কলকাতা: রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন নিয়ম চালুর সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভবিষ্যতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বুধবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন নিয়মটি ভবিষ্যতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে বর্তমানে কর্মরত এবং ইতিমধ্যেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অর্জিত অধিকার খর্ব করা হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য প্রস্তাবিত বিধিনিষেধ এবং বর্তমান শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মের মধ্যে পার্থক্য রাখা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন, আইনি বৈধতা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অধিকার নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন নিয়মের পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগের বিস্তারিত সরকারি বিধি প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
বুধবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন নিয়মটি ভবিষ্যতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে বর্তমানে কর্মরত এবং ইতিমধ্যেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অর্জিত অধিকার খর্ব করা হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য প্রস্তাবিত বিধিনিষেধ এবং বর্তমান শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মের মধ্যে পার্থক্য রাখা হচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন, আইনি বৈধতা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অধিকার নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন নিয়মের পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগের বিস্তারিত সরকারি বিধি প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।