মুর্শিদাবাদ জংশনে বেহাল পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ মন্ত্রীর, উঠল দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগ
মুর্শিদাবাদ জংশনে বেহাল পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ মন্ত্রীর, উঠল দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগ
মুর্শিদাবাদ: অপরিচ্ছন্ন স্টেশন চত্বর, তালাবন্ধ শৌচাগার, বন্ধ মহিলা প্রতীক্ষালয় এবং অধিকাংশ সময় অচল চলমান সিঁড়ি—মুর্শিদাবাদ জংশন রেলওয়ে স্টেশনের পরিষেবা ও পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ। রবিবার সকালে স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন অব্যবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
স্টেশন চত্বরে আবর্জনা, ঝোপঝাড় ও জমে থাকা জল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, স্টেশনের মহিলা প্রতীক্ষালয় ও শৌচাগার বন্ধ থাকায় যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, স্টেশনের একমাত্র চলমান সিঁড়িটিও অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে বলে দাবি করেন তিনি।
পার্কিং ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গৌরীশঙ্কর ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, স্টেশন চত্বরে পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকলেও গাড়ি রাখার জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হচ্ছে। এমনকী, জরিমানার ক্ষেত্রে বৈধ নথি দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিন রেলের বরাদ্দ অর্থের সদ্ব্যবহার, টিকিটের কালোবাজারি এবং রেলকর্মী ও আরপিএফের একাংশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগও তোলেন মন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় স্টেশন মাস্টারের কাছে বিভিন্ন অনুমোদন সংক্রান্ত নথি দেখতে চাইলে তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডাও হয়।
গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানান, স্টেশনের বিভিন্ন অব্যবস্থার ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি রেলমন্ত্রী, রেল ভবন এবং কেন্দ্রীয় রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।
মুর্শিদাবাদ জংশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা ও পরিকাঠামোর এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মন্ত্রীর তোলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রেল কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।
মুর্শিদাবাদ: অপরিচ্ছন্ন স্টেশন চত্বর, তালাবন্ধ শৌচাগার, বন্ধ মহিলা প্রতীক্ষালয় এবং অধিকাংশ সময় অচল চলমান সিঁড়ি—মুর্শিদাবাদ জংশন রেলওয়ে স্টেশনের পরিষেবা ও পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ। রবিবার সকালে স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন অব্যবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
স্টেশন চত্বরে আবর্জনা, ঝোপঝাড় ও জমে থাকা জল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, স্টেশনের মহিলা প্রতীক্ষালয় ও শৌচাগার বন্ধ থাকায় যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, স্টেশনের একমাত্র চলমান সিঁড়িটিও অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে বলে দাবি করেন তিনি।
পার্কিং ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গৌরীশঙ্কর ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, স্টেশন চত্বরে পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকলেও গাড়ি রাখার জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হচ্ছে। এমনকী, জরিমানার ক্ষেত্রে বৈধ নথি দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিন রেলের বরাদ্দ অর্থের সদ্ব্যবহার, টিকিটের কালোবাজারি এবং রেলকর্মী ও আরপিএফের একাংশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগও তোলেন মন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় স্টেশন মাস্টারের কাছে বিভিন্ন অনুমোদন সংক্রান্ত নথি দেখতে চাইলে তা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডাও হয়।
গৌরীশঙ্কর ঘোষ জানান, স্টেশনের বিভিন্ন অব্যবস্থার ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি রেলমন্ত্রী, রেল ভবন এবং কেন্দ্রীয় রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।
মুর্শিদাবাদ জংশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রী পরিষেবা ও পরিকাঠামোর এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মন্ত্রীর তোলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রেল কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।