গাইঘাটার পর এবার মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ! সুজিত মণ্ডল খুনের মামলায় অভিযুক্ত সামাউন শেখের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে
গাইঘাটার পর এবার সামশেরগঞ্জ! সুজিত মণ্ডল খুনের মামলায় অভিযুক্ত সামাউন শেখের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে
একই দিনে রাজ্যে পরপর দুটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাইঘাটার পর এবার মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল সুজিত মণ্ডল খুনের মামলায় অভিযুক্ত সামাউন শেখের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। সেই সময় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।
ধুলিয়ান পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুজিত মণ্ডল পেশায় বিড়ি শ্রমিক ছিলেন। তিনি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গত ২৮ অগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুজিত। পরে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, তাঁকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে খালের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় সামাউন শেখ, তাজকিরা বিবি এবং জনি শেখকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটি নিয়ে বিতর্কের জেরে পুলিশি তদন্তের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পরে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জের পুরাতন ডাকবাংলো এলাকার ভুটু মার্কেটের সেই ঘরে সামাউন শেখকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে সুজিত মণ্ডলকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলাকালীন সামাউন পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করেন বলে দাবি। পুলিশের আরও দাবি, তিনি পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সামাউনকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, এদিন ভোরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাইঘাটাতেও পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। সেই সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় এক পুলিশকর্মীও জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
একই দিনে রাজ্যের দুই পৃথক জায়গায় পুলিশের গুলিতে দুই অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
একই দিনে রাজ্যে পরপর দুটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাইঘাটার পর এবার মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল সুজিত মণ্ডল খুনের মামলায় অভিযুক্ত সামাউন শেখের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। সেই সময় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে।
ধুলিয়ান পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুজিত মণ্ডল পেশায় বিড়ি শ্রমিক ছিলেন। তিনি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গত ২৮ অগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুজিত। পরে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, তাঁকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করে খালের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনায় সামাউন শেখ, তাজকিরা বিবি এবং জনি শেখকে গ্রেফতার করা হয়। মামলাটি নিয়ে বিতর্কের জেরে পুলিশি তদন্তের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পরে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জের পুরাতন ডাকবাংলো এলাকার ভুটু মার্কেটের সেই ঘরে সামাউন শেখকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে সুজিত মণ্ডলকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার পুনর্নির্মাণ চলাকালীন সামাউন পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করেন বলে দাবি। পুলিশের আরও দাবি, তিনি পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সামাউনকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, এদিন ভোরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাইঘাটাতেও পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। সেই সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় এক পুলিশকর্মীও জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
একই দিনে রাজ্যের দুই পৃথক জায়গায় পুলিশের গুলিতে দুই অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।