स्थानीय
চোরবাগানে থাকুর দর্শনে ভিড়ের ধাক্কা, ১৭ জন নিহত, বহু আহত
শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানে থাকুর দর্শনের সময় ভিড়ের ধাক্কা ঘটায় ১৭ জনের মৃত্যু এবং বহুজনের গুরুতর আঘাত, পুলিশ ও অ্যাম্বুল্যান্সের অনুপস্থিতি পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানে থাকুর দর্শনের জন্য এক যুবক তার তিনজন বান্ধবীর সঙ্গে বেরিয়ে যান। বৃষ্টির সময়ে ভিড়ের মধ্যে প্রবেশের সময় হঠাৎ পিছন থেকে ধাক্কা আসে এবং মানুষজন একে অপরের ওপর পড়ে যায়।
যুবক জানান, ধাক্কা পাওয়ার পর তার তিনজন বান্ধবীই চাপা পড়ে এবং তার সবচেয়ে নীচের বান্ধবীসহ অন্য দুজন প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট শ্বাস নিতে পারছিল না। তিনি এবং অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিরা টেনে বের করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন, ফলে স্থানীয়রা প্যান্ডেলের একটি অংশ ভেঙে ফেলতে বাধ্য হন এবং তবেই শিকড়ে আটকে থাকা মানুষজনকে বের করা যায়।
স্থানীয়দের মতে, মঞ্চের আশেপাশে কোনো পুলিশ বা অ্যাম্বুল্যান্স উপস্থিত ছিল না এবং মাইক্রোফোনে যে ঘোষণা শোনা যাচ্ছিল তা মানুষকে আরও বিভ্রান্ত করে দেয়। ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।
এ পর্যন্ত মোট ১৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং আরও অনেকজন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুবক উল্লেখ করেন, তার বান্ধবীরা বেঁচে গেছেন তবে আহত হয়েছেন; একজনের পায়ে আঘাত এবং অন্যজন প্যানিকের শিকার হয়েছেন। বৃষ্টি চললেও কেউ সাহায্য করতে আসেনি, ফলে স্থানীয়দেরই হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি পায়।
যুবক জানান, ধাক্কা পাওয়ার পর তার তিনজন বান্ধবীই চাপা পড়ে এবং তার সবচেয়ে নীচের বান্ধবীসহ অন্য দুজন প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট শ্বাস নিতে পারছিল না। তিনি এবং অন্যান্য উপস্থিত ব্যক্তিরা টেনে বের করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন, ফলে স্থানীয়রা প্যান্ডেলের একটি অংশ ভেঙে ফেলতে বাধ্য হন এবং তবেই শিকড়ে আটকে থাকা মানুষজনকে বের করা যায়।
স্থানীয়দের মতে, মঞ্চের আশেপাশে কোনো পুলিশ বা অ্যাম্বুল্যান্স উপস্থিত ছিল না এবং মাইক্রোফোনে যে ঘোষণা শোনা যাচ্ছিল তা মানুষকে আরও বিভ্রান্ত করে দেয়। ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।
এ পর্যন্ত মোট ১৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং আরও অনেকজন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুবক উল্লেখ করেন, তার বান্ধবীরা বেঁচে গেছেন তবে আহত হয়েছেন; একজনের পায়ে আঘাত এবং অন্যজন প্যানিকের শিকার হয়েছেন। বৃষ্টি চললেও কেউ সাহায্য করতে আসেনি, ফলে স্থানীয়দেরই হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি পায়।