Crime
ছেলের খুন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে ভারতী দে, অভিযোগ: পুলিশ আসল দোষীদের ধরছে না
৬ জুলাই তারিখে ২৬ বছর বয়সী রাহুল দে-কে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার তিন-চার মাস পরেও আসল দোষীদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় মা ভারতী দে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ দায়ের করেছেন।
৬ জুলাই তারিখে ২৬ বছর বয়সী রাহুল দে-কে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে এসেছেন তার মা ভারতী দে। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ প্রথমে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখিয়েছে, কিন্তু আসলে এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যা। রাহুল ছিলেন একজন বিএ পাশ, যিনি না চোর, না ডাকাত, এবং তার কোনো ক্রিমিনাল প্রবৃত্তি ছিল না।
ঘটনার দিন রাহুলকে তার বন্ধু মলয় মণ্ডল ডেকে নিয়ে যায় এবং বিষ্ণুপুরে তাকে মেরে ফেলে রেখে যায়। প্রথমে পুলিশ জানায় যে রাহুল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চাকদা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালে গিয়ে পরিবার জানতে পারে যে সেখানে তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। পরিবারকে থানায় গিয়ে ঘটনাস্থল দেখতে চাইলে পুলিশ হুমকি দেয় যে, সেখানে গেলে তাদেরও একই অবস্থা করা হবে। এই ভয়ে পরিবার আর ঘটনাস্থল দেখতে যায়নি।
পুলিশের কাছে বারবার যাবার পরেও ন্যায়বিচার না পেয়ে পরিবার এখনো অপেক্ষায়। মলয় মণ্ডলের মামার ছেলে, যিনি রাহুলের মৃত্যুর ১৭ দিন পরে সারেন্ডার করে, তাকে জামিনও দেওয়া হয়েছে। রাহুলকে মারতে তিনজন জড়িত ছিল, যাদের মধ্যে একজন বলাই মণ্ডল এবং অন্য একজন 'ডিএম' নামে পরিচিত ব্যক্তি, যিনি বনগাঁয় থাকেন। 'ডিএম' নামে পরিচিত ব্যক্তিকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তৃতীয় ব্যক্তির নাম পরিবার জানতে পারেনি।
ভারতী দে অভিযোগ করেছেন, মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি শুধু বলেছেন যে রাহুল ভোটের সময় তাদের সাথে ঘুরেছিল। এছাড়াও, এলাকার বিধায়ক এখন পর্যন্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে কোনো প্রশ্ন করেননি। পরিবারের দাবি, পুলিশ আসল দোষীদের ধরছে না এবং রাহুলের খুনের বিচারের জন্য তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ দায়ের করেছেন।
ঘটনার দিন রাহুলকে তার বন্ধু মলয় মণ্ডল ডেকে নিয়ে যায় এবং বিষ্ণুপুরে তাকে মেরে ফেলে রেখে যায়। প্রথমে পুলিশ জানায় যে রাহুল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চাকদা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালে গিয়ে পরিবার জানতে পারে যে সেখানে তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। পরিবারকে থানায় গিয়ে ঘটনাস্থল দেখতে চাইলে পুলিশ হুমকি দেয় যে, সেখানে গেলে তাদেরও একই অবস্থা করা হবে। এই ভয়ে পরিবার আর ঘটনাস্থল দেখতে যায়নি।
পুলিশের কাছে বারবার যাবার পরেও ন্যায়বিচার না পেয়ে পরিবার এখনো অপেক্ষায়। মলয় মণ্ডলের মামার ছেলে, যিনি রাহুলের মৃত্যুর ১৭ দিন পরে সারেন্ডার করে, তাকে জামিনও দেওয়া হয়েছে। রাহুলকে মারতে তিনজন জড়িত ছিল, যাদের মধ্যে একজন বলাই মণ্ডল এবং অন্য একজন 'ডিএম' নামে পরিচিত ব্যক্তি, যিনি বনগাঁয় থাকেন। 'ডিএম' নামে পরিচিত ব্যক্তিকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তৃতীয় ব্যক্তির নাম পরিবার জানতে পারেনি।
ভারতী দে অভিযোগ করেছেন, মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি শুধু বলেছেন যে রাহুল ভোটের সময় তাদের সাথে ঘুরেছিল। এছাড়াও, এলাকার বিধায়ক এখন পর্যন্ত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে কোনো প্রশ্ন করেননি। পরিবারের দাবি, পুলিশ আসল দোষীদের ধরছে না এবং রাহুলের খুনের বিচারের জন্য তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ দায়ের করেছেন।