🔥 ट्रेंडिंग केरल ने रणजी ट्रॉफी में ओडिशा को बड़े... DRI ने तेलंगाना में सोने की तस्करी माम... केरल के किसान ने रबड़ से ऑर्गेनिक नींब... मुख्य सचिव संजय जाजू ने तेलंगाना के अध... मनचेरी में कांग्रेस के भीतर झड़प के बा... यूके में पढ़ाई की चाह रखने वाले भारतीय...
22 अक्टू. 2026•
ગુજરાતી मराठी ਪੰਜਾਬੀ বাংলা

৫২ বছরের ঐতিহ্য, বনেদিয়ানা আর আবেগের মেলবন্ধন! মোবারকপুরের কাত্যায়নী দুর্গামন্দিরে

✍️ रिपोर्टर: BALAI PRAMANIK 🗓 21 अक्टू. 2026, 11:32 PM 👁 15
शेयर करें: 💬 WhatsApp 📘 Facebook 𝕏 Post
৫২ বছরের ঐতিহ্য, বনেদিয়ানা আর আবেগের মেলবন্ধন! মোবারকপুরের কাত্যায়নী দুর্গামন্দিরে

ঐতিহ্যের টানে, ভক্তির আবেগে আর ঢাকের তালে মেতে উঠল দুর্গোৎসব! প্রায় ৫২ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যকে বুকে আগলে আজও স্বমহিমায় বিরাজ করে চলেছে মা দুর্গা। মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম ব্লকের পাঁচগ্রাম অঞ্চলের মোবারকপুরের কাত্যায়নী দুর্গা মন্দিরে সপ্তমী, অষ্টমী ও মহা নবমীর সন্ধ্যা আরতিতে ধরা পড়ল বনেদিয়ানা ও প্রাচীন রীতিনীতির অপূর্ব মেলবন্ধন। প্রায় ৫২ বছরের এই পুজোয় আজও বজায় রয়েছে বনেদি ও জমিদারি আমলের ঐতিহ্য। একচালার প্রতিমায় মা দুর্গার পাশাপাশি রয়েছেন অসুর, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী ও কার্তিক। আর এই প্রতিমার বিশেষ আকর্ষণ, সন্তানরূপে বিরাজমান শ্রীকৃষ্ণের বালক রূপ নাড়ুগোপাল। মহা নবমীর সন্ধ্যা নামতেই মন্দির চত্বর সেজে ওঠে ভক্তির আবহে। ঢাকের বাদ্যি, ধুনোর গন্ধ, শঙ্খধ্বনি আর মহিলাদের উলুধ্বনিতে শুরু হয় সন্ধ্যা আরতি। ভক্তদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ।
দশমীর দিনেও রয়েছে বিশেষ রীতি। সকালে পুজো সম্পন্ন হওয়ার পর কলা বউকে কাঁধে করে নিয়ে ঢাকের তালে নিরঞ্জনের প্রস্তুতি চলে। একসময় এই গ্রামে প্রচলিত ছিল গরু ছোটানোর প্রথা। পাশাপাশি লাঠিখেলার সঙ্গে বাঁশের মাচানে প্রতিমা বহন করে নিরঞ্জন দেওয়ার ঐতিহ্যও ছিল। তবে আধুনিক সময়ের পরিবর্তনে আজ সেই প্রাচীন রীতিগুলির অনেকগুলিই হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে ঐতিহ্যের কিছু মুহূর্ত আজও অমলিন। দশমীর সন্ধ্যায় মন্দিরে ভিড় জমান গ্রামের মহিলারা। সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন তাঁরা। ঢাকের তালে মাকে বরণ করে নেওয়ার পর শুরু হয় নিরঞ্জনের প্রস্তুতি। এরপর জাতি-ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে মা দুর্গাকে মন্দির থেকে বের করে কোনোবার লছিমনে আবার কোনোবারে টলি ভ্যানে চাপিয়ে গ্রামের আশপাশ ঘুরিয়ে নিয়ে যান নিরঞ্জনের উদ্দেশ্যে। মা যখন বিদায় নেন, তখন আনন্দের মাঝেও নেমে আসে বিষাদের সুর। ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে মোবারকপুর গ্রামের মানুষের মন। চোখে থাকে বিদায়ের আবেগ, আর হৃদয়ে পরের বছরের অপেক্ষা।ঐতিহ্য কিছুটা বদলেছে, হারিয়ে গিয়েছে কিছু প্রাচীন প্রথা। তবুও ভক্তি, সম্প্রীতি আর আবেগের বন্ধনে আজও অটুট মোবারকপুরের কাত্যায়নী দুর্গাপুজো। মা দুর্গার কাছে একটাই প্রার্থনা—আগামী বছর আবার ফিরে আসুন তিনি, নতুন আনন্দ আর আশার বার্তা নিয়ে।
📲Get App