Local
১৭ ডিসেম্বর উদ্বোধনের সম্ভাবনা বেলেঘাটা-সেক্টর ফাইভ মেট্রো লাইনের
কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের বেলেঘাটা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত অংশ আগামী ১৭ ডিসেম্বর উদ্বোধন হতে চলেছে। ট্রায়াল রান শুরু হওয়ার পর এবার রেলওয়ে সেফটি কমিশনারের পরিদর্শনের জন্য আবেদন করা হবে।
কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বেলেঘাটা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত রুটটি আগামী ১৭ ডিসেম্বর উদ্বোধন হতে চলেছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই নতুন রুট চালু হলে শহরের যানজটের সমস্যা কিছুটা কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত ১০ অক্টোবর থেকে এই সেকশনের ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে, যেখানে রেললাইন, সিগন্যালিং এবং যাত্রী সুরক্ষার বিষয়গুলো নিয়মিত পরীক্ষা করা হচ্ছে। শীঘ্রই 'কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি' (CRS)-এর পরিদর্শনের জন্য আবেদন করা হবে, যাতে সুরক্ষার দিক থেকে কোনো ফাঁক না থাকে।
এই নতুন রুট চালু হলে মেট্রো মানচিত্রে গৌরকিশোর ঘোষ, নলবন এবং সেক্টর ফাইভ নামক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন যুক্ত হবে। এই স্টেশনগুলির পরিকাঠামো এখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে। সেক্টর ফাইভের এই আইটি সেন্টার স্টেশনটি ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (গ্রিন লাইন) এর সাথে সংযুক্ত থাকবে, যা যাত্রীদের ইন্টারচেঞ্জের সুবিধা দেবে। ফলে দক্ষিণ কলকাতা থেকে পূর্ব কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
রেল মন্ত্রকের সূত্রের খবর, এই বিশেষ সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে এই নতুন রুটের চাকা গড়াতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। সেই লক্ষ্যে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো কাজ ১০০% সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিংড়িঘাটার মতো জটিল মোড়ে দীর্ঘদিন কাজ আটকে থাকার পর রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়ে এই সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। এই নতুন রুট চালু হলে কলকাতার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গতি ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই নতুন রুট চালু হলে মেট্রো মানচিত্রে গৌরকিশোর ঘোষ, নলবন এবং সেক্টর ফাইভ নামক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন যুক্ত হবে। এই স্টেশনগুলির পরিকাঠামো এখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে। সেক্টর ফাইভের এই আইটি সেন্টার স্টেশনটি ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (গ্রিন লাইন) এর সাথে সংযুক্ত থাকবে, যা যাত্রীদের ইন্টারচেঞ্জের সুবিধা দেবে। ফলে দক্ষিণ কলকাতা থেকে পূর্ব কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
রেল মন্ত্রকের সূত্রের খবর, এই বিশেষ সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে এই নতুন রুটের চাকা গড়াতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। সেই লক্ষ্যে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো কাজ ১০০% সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিংড়িঘাটার মতো জটিল মোড়ে দীর্ঘদিন কাজ আটকে থাকার পর রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়ে এই সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। এই নতুন রুট চালু হলে কলকাতার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গতি ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।