পুলিশের তৎপরতা ও গ্রামবাসীদের মানবিক উদ্যোগে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা
পুলিশের তৎপরতা ও গ্রামবাসীদের মানবিক উদ্যোগে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা
নবগ্রাম, মুর্শিদাবাদ : পুলিশের তৎপরতা এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের মানবিক উদ্যোগে অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরল বীরভূমের এক নিখোঁজ আদিবাসী ছেলে। মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম থানার পাঁচগ্রাম অঞ্চলের বলাশপুর গ্রামের এই ঘটনায় প্রশংসিত হচ্ছে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভূমিকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানা এলাকার ওই আদিবাসী ছেলেটি নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে তাকে মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম থানার পাঁচগ্রাম অঞ্চলের বলাশপুর গ্রামে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি নজরে আসার পরই ছেলেটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এক্ষেত্রে নবগ্রাম থানার পুলিশ এবং বলাশপুর গ্রামের বাসিন্দারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। খবর পেয়ে ছেলেটির বাবা বলাশপুর গ্রামে পৌঁছন। এরপর প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে গত মঙ্গলবার ছেলেটিকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশের তৎপরতা এবং গ্রামবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতায় অবশেষে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেলেন তার বাবা। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ফিরে আসে স্বস্তি।
এই ঘটনায় আরও একবার সামনে এল পুলিশ ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগ এবং মানবিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নবগ্রাম, মুর্শিদাবাদ : পুলিশের তৎপরতা এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের মানবিক উদ্যোগে অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরল বীরভূমের এক নিখোঁজ আদিবাসী ছেলে। মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম থানার পাঁচগ্রাম অঞ্চলের বলাশপুর গ্রামের এই ঘটনায় প্রশংসিত হচ্ছে পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভূমিকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানা এলাকার ওই আদিবাসী ছেলেটি নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে তাকে মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রাম থানার পাঁচগ্রাম অঞ্চলের বলাশপুর গ্রামে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি নজরে আসার পরই ছেলেটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এক্ষেত্রে নবগ্রাম থানার পুলিশ এবং বলাশপুর গ্রামের বাসিন্দারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। খবর পেয়ে ছেলেটির বাবা বলাশপুর গ্রামে পৌঁছন। এরপর প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে গত মঙ্গলবার ছেলেটিকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
পুলিশের তৎপরতা এবং গ্রামবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতায় অবশেষে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেলেন তার বাবা। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ফিরে আসে স্বস্তি।
এই ঘটনায় আরও একবার সামনে এল পুলিশ ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগ এবং মানবিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।