সুতির চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় উদ্ধার ৪৮৯ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ! অভিযোগে ৩জনের নাম সামনে এসেছে
সুতির চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় উদ্ধার ৪৮৯ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ! অভিযোগে ৩জনের নাম সামনে এসেছে।
সুতি, মুর্শিদাবাদ: সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল মুর্শিদাবাদের সুতি থানার পুলিশ। সোমবার রাতে সুতি থানার চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় সুতি থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয় ৩টি বস্তা ভর্তি মোট ৪৮৯ বোতল নিষিদ্ধ প্রোটিনযুক্ত সিরাপ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩জনের নাম সামনে এসেছে। তারা হলেন মহম্মদ কাসিম, কাজল শেখ এবং মহম্মদ জসিম আলী। অভিযুক্তদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ সিরাপ কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কীভাবে সেগুলি সরবরাহ করা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশি যোগসূত্র থাকার অভিযোগও সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের বাড়ি বাংলাদেশে। সেই সূত্র ধরেই এই কারবারের সঙ্গে সীমান্তপারের কোনও যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকৃত যোগাযোগ কী, উদ্ধার হওয়া এই ধরনের নিষিদ্ধ সিরাপ বাংলাদেশে পাচারের কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য সরবরাহকারী এবং এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদের সন্ধানেও তদন্ত চালানো হচ্ছে।
পাশাপাশি, উদ্ধার হওয়া ৪৮৯ বোতল এই ধরনের নিষিদ্ধ সিরাপের উৎস, মজুতের উদ্দেশ্য এবং সরবরাহের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় সুতি থানার পুলিশের এই অভিযান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ৩টি বস্তা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বাংলাদেশি পরিচয় ঘিরে তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখন পুলিশের তদন্তে এই কারবারের পিছনে থাকা প্রকৃত চক্রের সন্ধান মেলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।
সুতি, মুর্শিদাবাদ: সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল মুর্শিদাবাদের সুতি থানার পুলিশ। সোমবার রাতে সুতি থানার চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় সুতি থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হয় ৩টি বস্তা ভর্তি মোট ৪৮৯ বোতল নিষিদ্ধ প্রোটিনযুক্ত সিরাপ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩জনের নাম সামনে এসেছে। তারা হলেন মহম্মদ কাসিম, কাজল শেখ এবং মহম্মদ জসিম আলী। অভিযুক্তদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ সিরাপ কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কীভাবে সেগুলি সরবরাহ করা হচ্ছিল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশি যোগসূত্র থাকার অভিযোগও সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের বাড়ি বাংলাদেশে। সেই সূত্র ধরেই এই কারবারের সঙ্গে সীমান্তপারের কোনও যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রকৃত যোগাযোগ কী, উদ্ধার হওয়া এই ধরনের নিষিদ্ধ সিরাপ বাংলাদেশে পাচারের কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য সরবরাহকারী এবং এই কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্য ব্যক্তিদের সন্ধানেও তদন্ত চালানো হচ্ছে।
পাশাপাশি, উদ্ধার হওয়া ৪৮৯ বোতল এই ধরনের নিষিদ্ধ সিরাপের উৎস, মজুতের উদ্দেশ্য এবং সরবরাহের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, চাঁদনী চক বর্ডার এলাকায় সুতি থানার পুলিশের এই অভিযান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ৩টি বস্তা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বাংলাদেশি পরিচয় ঘিরে তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এখন পুলিশের তদন্তে এই কারবারের পিছনে থাকা প্রকৃত চক্রের সন্ধান মেলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।