প্রয়াতদের স্মরণে শ্রদ্ধা থেকে রঙিন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা: পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসবে ষষ্ঠ বর্ষের শুভ সূচনা।
প্রয়াতদের স্মরণে শ্রদ্ধা থেকে রঙিন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা: পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসবে ষষ্ঠ বর্ষের বিপুল সাফল্য
বিশেষ সংবাদদাতা, পান্ডুয়া:
শরতের আনন্দ, ভক্তি আর অকৃত্রিম জনজোয়ারে ভাসল পান্ডুয়া। সর্বজনীন মিলনমেলার রূপ নিয়ে ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করল পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব। স্থানীয় গ্রামবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও যৌথ প্রচেষ্টায় এবারের শারদোৎসব এক অভূতপূর্ব রূপ লাভ করেছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেপ্রাপ্ত ১ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান মণ্ডপসজ্জা ও আনুষঙ্গিক আয়োজনে কমিটি তথা গ্রামবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা জুগিয়েছে।
প্রয়াতদের শ্রদ্ধা নিবেদন ও শুভ উদ্বোধন:
উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় অত্যন্ত আবেগঘন ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। মণ্ডপ উদ্বোধনের শুভ মুহূর্তে গ্রামের প্রয়াত প্রবীণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এরপর যৌথভাবে পুজো মণ্ডপের শুভ উদ্বোধন করেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কার্তিক লোহার, শুভেন্দু লাহা, ইন্দাসের ভৈরব লোহার, উত্তম দে, সাগর মল্ল এবং দীনবন্ধু চক্রবর্তী। উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুশরদী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাননীয় সুমিত্রা মুর্মু। এছাড়াও স্থানীয় বহু সমাজকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উদ্বোধনী প্রাঙ্গণ উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।
পঞ্চমী থেকে দশমী: সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন:
উৎসবের আনন্দ সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল পঞ্চমী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মণ্ডপ চত্বরে আয়োজিত হয় নানা রঙের আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রতিদিনের পূজা-পাঠ ও নিয়মনিষ্ঠ অর্চনার পাশাপাশি বিজয়া দশমীর দিন মণ্ডপে জমে ওঠে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা। ঢাকের তালের সাথে আনন্দে মেতে ওঠেন গ্রামের নারী ও মায়েরা।
জনস্রোত ও গ্রামবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ:
পুজোর ক'দিন মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। শুধু পান্ডুয়া গ্রামই নয়, আশপাশের একাধিক গ্রাম থেকেও হাজার হাজার মানুষ দেবী দর্শনে ছুটে আসেন। আবালবৃদ্ধবনিতা—সকলের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি উৎসবকে এক অনন্য মাত্রা এনে দেয়। গ্রামবাসীর চোখে-মুখে ফুটে ওঠা তৃপ্তি ও আনন্দের আবেগ স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব কেবল একটি পুজো নয়, এটি হয়ে উঠেছে সম্পূর্ণ গ্রামের প্রাণের উৎসব।
বিশেষ সংবাদদাতা, পান্ডুয়া:
শরতের আনন্দ, ভক্তি আর অকৃত্রিম জনজোয়ারে ভাসল পান্ডুয়া। সর্বজনীন মিলনমেলার রূপ নিয়ে ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করল পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব। স্থানীয় গ্রামবাসীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও যৌথ প্রচেষ্টায় এবারের শারদোৎসব এক অভূতপূর্ব রূপ লাভ করেছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেপ্রাপ্ত ১ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান মণ্ডপসজ্জা ও আনুষঙ্গিক আয়োজনে কমিটি তথা গ্রামবাসীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা জুগিয়েছে।
প্রয়াতদের শ্রদ্ধা নিবেদন ও শুভ উদ্বোধন:
উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় অত্যন্ত আবেগঘন ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। মণ্ডপ উদ্বোধনের শুভ মুহূর্তে গ্রামের প্রয়াত প্রবীণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এরপর যৌথভাবে পুজো মণ্ডপের শুভ উদ্বোধন করেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কার্তিক লোহার, শুভেন্দু লাহা, ইন্দাসের ভৈরব লোহার, উত্তম দে, সাগর মল্ল এবং দীনবন্ধু চক্রবর্তী। উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুশরদী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মাননীয় সুমিত্রা মুর্মু। এছাড়াও স্থানীয় বহু সমাজকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উদ্বোধনী প্রাঙ্গণ উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।
পঞ্চমী থেকে দশমী: সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন:
উৎসবের আনন্দ সমানভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল পঞ্চমী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মণ্ডপ চত্বরে আয়োজিত হয় নানা রঙের আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রতিদিনের পূজা-পাঠ ও নিয়মনিষ্ঠ অর্চনার পাশাপাশি বিজয়া দশমীর দিন মণ্ডপে জমে ওঠে ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলা। ঢাকের তালের সাথে আনন্দে মেতে ওঠেন গ্রামের নারী ও মায়েরা।
জনস্রোত ও গ্রামবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ:
পুজোর ক'দিন মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। শুধু পান্ডুয়া গ্রামই নয়, আশপাশের একাধিক গ্রাম থেকেও হাজার হাজার মানুষ দেবী দর্শনে ছুটে আসেন। আবালবৃদ্ধবনিতা—সকলের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি উৎসবকে এক অনন্য মাত্রা এনে দেয়। গ্রামবাসীর চোখে-মুখে ফুটে ওঠা তৃপ্তি ও আনন্দের আবেগ স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, পান্ডুয়া সার্বজনীন দুর্গোৎসব কেবল একটি পুজো নয়, এটি হয়ে উঠেছে সম্পূর্ণ গ্রামের প্রাণের উৎসব।