🔥 TRENDING Punjab MLA Manpreet Singh Ayali and 50... 13 Children Die in Boat Tragedy at Rag... શિષ્યવૃત્તિ માટે ની અરજી ફોર્મ ભરવા ની... હિંમતનગરમાં નવરાત્રી દરમિયાન ખેલૈયાઓ મ... माँ कुष्मांडा की आराधना से जीवन में सु... आयुष्मान योजना: लखनऊ-गोंडा के 21 निजी...
14 Oct 2026•
ગુજરાતી मराठी ਪੰਜਾਬੀ বাংলা
পানাগড়ের মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোয় আজও হয় মোষ বল

পানাগড়ের মুখোপাধ্যায় বাড়ির পুজোয় আজও হয় মোষ বল

✍️ Reporter: Rajesh chowdhury 🗓 14 Oct 2026, 11:22 AM 👁 11
Share: 💬 WhatsApp 📘 Facebook 𝕏 Post

বংশপরম্পরায় আজও পানাগড় গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের। দুর্গাপুজোতে মোষ বলির প্রথা চালু আছে ।

নিশ্চয়ই দাদা, হুবহু নকল না করে একদম নিজের ভাষায় নতুন করে সাজিয়ে দিলাম — পাবলিশ করতে পারবেন:

---
মানকর:
পানাগড়ের সোয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো এবার ৩০৪ বছরে পা দিল। তিন শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একই রীতি মেনে আজও পুজো করে আসছে পরিবারটি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এই পুজোর সূচনা করেন তাঁদের আদি পুরুষ, যাঁর আদি নিবাস ছিল পূর্ব বর্ধমানের বাঁকলসার গ্রামে। তিনি গ্রামে টোলে পড়তে এসেছিলেন। তখনই প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেন। পরে সেওতাই গ্রামে বসবাস শুরু করলে, দেবীকেও সঙ্গে নিয়ে আসেন সেখানে। সেই থেকেই চলছে এই পুজো।

পরিবারের বর্তমান সদস্য বিক্রূপ মুখোপাধ্যায় জানান, এই পুজোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল আজও এখানে মোষ বলির প্রথা চালু আছে। একবার ইংরেজ আমলে জেলা প্রশাসন বলি প্রথা বন্ধ করার জন্য কড়া নির্দেশ জারি করেছিল। কিন্তু এর পরেই ঘটে অদ্ভুত ঘটনা।

তাঁর কথায়, "পুজো চলাকালীন জেলাশাসক স্বপ্ন দেখেন, কেউ তাঁকে ত্রিশূল নিয়ে তাড়া করছে। এরপর বলি বন্ধের নির্দেশের পর থেকেই তাঁর ছেলের রাতে ঘুম হতো না।" শেষ পর্যন্ত প্রশাসনই বলির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

এই পুজোর আরও একটি বিশেষত্ব হল ভোগ। পুজোর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আগত সকল ভক্তকে প্রসাদ খাওয়ানো হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছে এটি 'মহাপ্রসাদ' হিসেবে পরিচিত।

পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও একটি লোককথা। জানা যায়, বাঁকলসার থেকে সেওতাইয়ে প্রতিমা নিয়ে আসার সময় টাঙ্গিতে করে আনা হচ্ছিল মূর্তিটি। সেই সময় ওই রাস্তা দিয়েই সৈন্যসামন্ত নিয়ে যাচ্ছিলেন তৎকালীন বর্ধমানের রাজা। রাজার সেনারা প্রতিমা বাহকদের সরে যেতে বলেন, কিন্তু তাঁরা রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত রাজা নিজেই এসে দেবী প্রতিমাকে প্রণাম করে পাশ কাটিয়ে চলে যান এবং পরে পুজোর জন্য সম্পত্তিও দান করেন।

আজও বংশপরম্পরায় একই পুরোহিত এবং একই শিল্পীর পরিবার এই পুজোর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
📲Get App