Politics
ওয়েবেল ক্যাম্পাসে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মূর্তির উন্মোচন
ওয়েবেল ক্যাম্পাসে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর স্মৃতিচিহ্ন উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভারতীয় জনতা পার্টির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আজ ওয়েবেল ক্যাম্পাসে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক শ্রী সুনীল বানসাল, রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ শ্রী শমীক ভট্টাচার্য, মাননীয় মন্ত্রী ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য এবং একাডেমিশিয়ান হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তিনি একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি বাংলা হিন্দুদের জন্য একটি পৃথক স্বদেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
তার প্রস্তাবের সমর্থনে এন সি চ্যাটার্জী, মেজর জেনারেল এ.সি. চ্যাটার্জী, রমেশচন্দ্র মজুমদার, যদুনাথ সরকার, মেঘনাদ সাহারসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব একত্রিত হন এবং তৎকালীন প্রাদেশিক আইনসভার হিন্দু এমএলএদের ভোটে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পক্ষে সমর্থন পায়।
উন্মোচন অনুষ্ঠানটি বন্দে মাতরমের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৪ঠা মে শ্যামাপ্রসাদের সরকার পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে গঠিত হবে বলে ঘোষিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সকল উপস্থিতি সাধুবাদ জানিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, এই মূর্তির উন্মোচন কেবল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর রাজনৈতিক অবদানের স্মরণ নয়, বরং তার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য এবং একাডেমিশিয়ান হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তিনি একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি বাংলা হিন্দুদের জন্য একটি পৃথক স্বদেশের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
তার প্রস্তাবের সমর্থনে এন সি চ্যাটার্জী, মেজর জেনারেল এ.সি. চ্যাটার্জী, রমেশচন্দ্র মজুমদার, যদুনাথ সরকার, মেঘনাদ সাহারসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব একত্রিত হন এবং তৎকালীন প্রাদেশিক আইনসভার হিন্দু এমএলএদের ভোটে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের পক্ষে সমর্থন পায়।
উন্মোচন অনুষ্ঠানটি বন্দে মাতরমের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৪ঠা মে শ্যামাপ্রসাদের সরকার পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে গঠিত হবে বলে ঘোষিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সকল উপস্থিতি সাধুবাদ জানিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, এই মূর্তির উন্মোচন কেবল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর রাজনৈতিক অবদানের স্মরণ নয়, বরং তার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।