स्थानीय
মানকরের মুখোপাধ্যায় ও সরকার বাড়ির দুর্গা পুজোয় বিশেষ রীতি, চারশো বছরের প্রাচীন অমরপুরের নবপত্রিকার পুজো
পূর্ব বর্ধমান জেলার মানকরের মুখোপাধ্যায় ও সরকার বাড়ির দুর্গাপূজা প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন এবং এদের পুজোর বিশেষ রীতি রয়েছে। অন্যদিকে, আউসগ্রাম-২ ব্লকের অমরপুর গ্রামে ৪৫০ বছর ধরে পালিত হচ্ছে নবপত্রিকার পুজো।
তৃতীয়া তিথিতে পূর্ব বর্ধমান জেলার মানকরের ভট্টাচার্য পাড়ার মুখোপাধ্যায় বাড়িতে তিনশো বছরের প্রাচীন 'তিন পুতুলের পুজো'য় এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। এই পুজোর প্রচলন করেছিলেন পরিবারের আদি পুরুষ রামপদ মুখোপাধ্যায়। মাঝে কয়েক বছর মূর্তির বদলে ঘটে পুজো হলেও, স্বাধীনতা উত্তরকালে আবার মূর্তিতে পুজো শুরু হয়। এই পুজোর বিশেষ রীতি হল নবমীর দিন দেবীর সামনে ছাগবলি দিয়ে সেই মাংস ভেজে নিবেদন করা হয়। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে দেবীকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চালের ভোগ নিবেদন করা হয়। কালনার মহিষমর্দিনী পুজো শ্রাবণ মাসে হলেও, মানকরের এই দুর্গাপূজায় মহিষমর্দিনী মূর্তি একা থাকেন, তাঁর সঙ্গে লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক ও সরস্বতী থাকেন না।
অন্যদিকে, মানকরের সরকার বাড়ির পুজোও প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন। এই মূর্তির বৈশিষ্ট্য হল এখানে মহিষাসুর থাকেন না, বরং দেবী দুর্গা, শিব, তাঁদের সন্তান ও বাহনরা উপস্থিত থাকেন। তবে দেবীর বাহন থাকে না। স্থানীয়দের কাছে এই মূর্তি 'কৈলাস মূর্তি' নামে পরিচিত। এখানে বৈষ্ণব মতে দেবীর পুজো হয় এবং অন্নভোগের পরিবর্তে নানা ব্যঞ্জন সহ লুচি ও বেসন-গুড়ের নাড়ু নিবেদন করা হয়।
এছাড়াও, আউসগ্রাম-২ ব্লকের অমরপুর গ্রামের কায়স্থ পাড়ায় ৪৫০ বছর ধরে নবপত্রিকার পুজো হচ্ছে। বৈষ্ণব মতে এই পুজো সম্পন্ন হয়, যেখানে নবপত্রিকার ওপর শোলা দিয়ে দেবীর মুখমণ্ডল সাজানো হয়। প্রথম থেকেই এই রীতি চলে আসছে। বৈষ্ণব মতে হওয়ায় এখানে ছাগবলি হয় না, তবে চালকুমড়ো বলি হয়। ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় বলিদান সম্পন্ন হয়। সপ্তমীর সকালে চৌধুরী সরোবর থেকে দোলা আনা হয় এবং দশমীর দিন দেবীর বিসর্জন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই প্রাচীন পুজো দেখতে ভিড় করেন।
অন্যদিকে, মানকরের সরকার বাড়ির পুজোও প্রায় তিনশো বছরের প্রাচীন। এই মূর্তির বৈশিষ্ট্য হল এখানে মহিষাসুর থাকেন না, বরং দেবী দুর্গা, শিব, তাঁদের সন্তান ও বাহনরা উপস্থিত থাকেন। তবে দেবীর বাহন থাকে না। স্থানীয়দের কাছে এই মূর্তি 'কৈলাস মূর্তি' নামে পরিচিত। এখানে বৈষ্ণব মতে দেবীর পুজো হয় এবং অন্নভোগের পরিবর্তে নানা ব্যঞ্জন সহ লুচি ও বেসন-গুড়ের নাড়ু নিবেদন করা হয়।
এছাড়াও, আউসগ্রাম-২ ব্লকের অমরপুর গ্রামের কায়স্থ পাড়ায় ৪৫০ বছর ধরে নবপত্রিকার পুজো হচ্ছে। বৈষ্ণব মতে এই পুজো সম্পন্ন হয়, যেখানে নবপত্রিকার ওপর শোলা দিয়ে দেবীর মুখমণ্ডল সাজানো হয়। প্রথম থেকেই এই রীতি চলে আসছে। বৈষ্ণব মতে হওয়ায় এখানে ছাগবলি হয় না, তবে চালকুমড়ো বলি হয়। ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় বলিদান সম্পন্ন হয়। সপ্তমীর সকালে চৌধুরী সরোবর থেকে দোলা আনা হয় এবং দশমীর দিন দেবীর বিসর্জন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই প্রাচীন পুজো দেখতে ভিড় করেন।