কামরায় পোড়া গন্ধ, আতঙ্কিত যাত্রীরা! সালার স্টেশনে ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল
কামরায় পোড়া গন্ধ, আতঙ্কিত যাত্রীরা! সালার স্টেশনে ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে রইল কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল
সালার, মুর্শিদাবাদ: চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে হঠাৎ পোড়া গন্ধ বের হওয়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। মঙ্গলবার বিকেলে আপ কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকালে এই ঘটনাকে ঘিরে বেশ কিছুক্ষণ উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সালার স্টেশনে প্রায় ৩০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ট্রেনটিকে।
যাত্রীদের দাবি, সালার স্টেশনে পৌঁছনোর আগেই বহরান স্টেশনের কাছে ট্রেনের মাঝের একটি কামরা থেকে পোড়া গন্ধ পেতে শুরু করেন তাঁরা। যদিও কামরার ভিতরে আগুনের কোনও শিখা দেখতে পাননি যাত্রীরা, তবুও সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকে। পরিস্থিতি বুঝে বেশ কয়েকজন যাত্রী দ্রুত ওই কামরা থেকে নেমে পড়েন।
এরপর ধীর গতিতে বিকেল প্রায় ৩টে নাগাদ সালার স্টেশনে পৌঁছয় ট্রেনটি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সেখানে ট্রেন থামিয়ে সংশ্লিষ্ট কামরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে এই পরীক্ষা। রেলের প্রযুক্তিগত কর্মীরা পরীক্ষা করে কোনও সমস্যা নেই বলে জানালে ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় আপ কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল।
এই ঘটনায় বড় কোনও বিপদের খবর না থাকলেও চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে পোড়া গন্ধ বের হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে রেলের দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সালার, মুর্শিদাবাদ: চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে হঠাৎ পোড়া গন্ধ বের হওয়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। মঙ্গলবার বিকেলে আপ কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকালে এই ঘটনাকে ঘিরে বেশ কিছুক্ষণ উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সালার স্টেশনে প্রায় ৩০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা হয় ট্রেনটিকে।
যাত্রীদের দাবি, সালার স্টেশনে পৌঁছনোর আগেই বহরান স্টেশনের কাছে ট্রেনের মাঝের একটি কামরা থেকে পোড়া গন্ধ পেতে শুরু করেন তাঁরা। যদিও কামরার ভিতরে আগুনের কোনও শিখা দেখতে পাননি যাত্রীরা, তবুও সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকে। পরিস্থিতি বুঝে বেশ কয়েকজন যাত্রী দ্রুত ওই কামরা থেকে নেমে পড়েন।
এরপর ধীর গতিতে বিকেল প্রায় ৩টে নাগাদ সালার স্টেশনে পৌঁছয় ট্রেনটি। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সেখানে ট্রেন থামিয়ে সংশ্লিষ্ট কামরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে এই পরীক্ষা। রেলের প্রযুক্তিগত কর্মীরা পরীক্ষা করে কোনও সমস্যা নেই বলে জানালে ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয় আপ কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল।
এই ঘটনায় বড় কোনও বিপদের খবর না থাকলেও চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে পোড়া গন্ধ বের হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। তবে রেলের দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।