Local
চোরবাগান মণ্ডপের বিপর্যয়: মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তদন্ত, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন
Watch on:
📘 Facebook
কলকাতা পুজোয় অভূতপূর্ব বিপর্যয়ের পর চোরবাগান মণ্ডপের ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গাফিলতি প্রমাণিত হলে পুলিশ কমিশনারও রেহাই পাবেন না।
কলকাতা পুজোর ইতিহাসে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে চোরবাগান মণ্ডপে। এই ঘটনার তদন্তের তদারকির দায়িত্বে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যার দোষ প্রমাণিত হবে, তার বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চোরবাগান মণ্ডপের দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের কাছে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন।
মধ্যরাতে চোরবাগান মণ্ডপের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তিনি পুলিশকর্মীদের কাছে জানতে চান কেন তারা মণ্ডপ বন্ধ করার কথা বলেননি এবং কখন তারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, "গাফিলতি প্রমাণিত হলে পুলিশ কমিশনারও ছাড় পাবেন না। প্রশাসনের কারও দোষ থাকলে ছাড় নয়।" তবে এই ঘটনার পিছনে সিপি-র কোনও ভূমিকা ছিল না বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে মণ্ডপের সরু পথ, কম আলো এবং গেটের কাছে ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভাব এই দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টিও একটি কারণ ছিল। তিনি বলেন, "পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত টানা ঠিক নয়। মুখ্যসচিব প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখবেন। বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্তে সিট গঠন করা হবে।" ভিড় নিয়ন্ত্রণে কারা ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এই দুর্ঘটনার পর পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুজো কমিটির উদ্যোক্তা ও স্বেচ্ছাসেবক সহ মোট ১২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোথায় গাফিলতি ছিল এবং কেন এই বিপর্যয় ঘটল, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ হয়েছে এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে ৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মধ্যরাতে চোরবাগান মণ্ডপের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তিনি পুলিশকর্মীদের কাছে জানতে চান কেন তারা মণ্ডপ বন্ধ করার কথা বলেননি এবং কখন তারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, "গাফিলতি প্রমাণিত হলে পুলিশ কমিশনারও ছাড় পাবেন না। প্রশাসনের কারও দোষ থাকলে ছাড় নয়।" তবে এই ঘটনার পিছনে সিপি-র কোনও ভূমিকা ছিল না বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান যে মণ্ডপের সরু পথ, কম আলো এবং গেটের কাছে ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভাব এই দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টিও একটি কারণ ছিল। তিনি বলেন, "পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত টানা ঠিক নয়। মুখ্যসচিব প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখবেন। বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্তে সিট গঠন করা হবে।" ভিড় নিয়ন্ত্রণে কারা ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এই দুর্ঘটনার পর পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পুজো কমিটির উদ্যোক্তা ও স্বেচ্ছাসেবক সহ মোট ১২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোথায় গাফিলতি ছিল এবং কেন এই বিপর্যয় ঘটল, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। চোরবাগান সর্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ হয়েছে এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে ৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।