अपराध
চোরবাগান দুর্ঘটনায় গুজব ছড়ানো আইনুল হককে কোচবিহার থেকে গ্রেপ্তার, বাংলাদেশ যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ
কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্টে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হল আইনুল হককে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকজনের কথোপকথনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হল আইনুল হককে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে এক মহিলাকে বলতে শোনা যায়, তাঁর ভাইয়ের একটি চোখ হাসপাতালে চুরি করে নেওয়া হয়েছে। এই ভিডিওটি চোরবাগান কাণ্ডের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন আইনুল হক, দাবি করেন মৃতদের চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ভাইরাল ভিডিওটি চোরবাগানের নয়। এটি আসলে ২০২৫ সালে বারাসত মেডিকেলে এক যুবকের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের তোলা পুরনো অভিযোগের ভিডিও। সেই পুরনো ভিডিওকেই নতুন করে চোরবাগানের ঘটনা বলে চালানো হয়েছে বলে লালবাজারের দাবি। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) সোমবার কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার তাপুরহাট এলাকা থেকে আইনুল হককে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এই মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড় হল বাংলাদেশ যোগ। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, ধৃত আইনুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকজনের কথোপকথনের প্রমাণ মিলেছে। তবে সেই কথোপকথনের পরেই ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়, তদন্ত চলছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার দিন মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে বলে মাইকে ভুয়ো ঘোষণা করেই আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছিল, যার জেরেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। মণ্ডপ ভেঙে পড়ার কোনও প্রমাণ মেলেনি। পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত চক্রান্ত কি না, তা খতিয়ে দেখতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ধৃত ব্যক্তি পরে চাপের মুখে আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, যাচাই না করেই তিনি ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন। পুলিশের তরফে সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার এবং যাচাই না করে কোনও ভিডিও শেয়ার না করার আবেদন জানানো হয়েছে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ভাইরাল ভিডিওটি চোরবাগানের নয়। এটি আসলে ২০২৫ সালে বারাসত মেডিকেলে এক যুবকের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের তোলা পুরনো অভিযোগের ভিডিও। সেই পুরনো ভিডিওকেই নতুন করে চোরবাগানের ঘটনা বলে চালানো হয়েছে বলে লালবাজারের দাবি। এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) সোমবার কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার তাপুরহাট এলাকা থেকে আইনুল হককে গ্রেপ্তার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
এই মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড় হল বাংলাদেশ যোগ। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কুনাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, ধৃত আইনুল হকের সঙ্গে বাংলাদেশের কয়েকজনের কথোপকথনের প্রমাণ মিলেছে। তবে সেই কথোপকথনের পরেই ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়, তদন্ত চলছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার দিন মণ্ডপ ভেঙে পড়ছে বলে মাইকে ভুয়ো ঘোষণা করেই আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছিল, যার জেরেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। মণ্ডপ ভেঙে পড়ার কোনও প্রমাণ মেলেনি। পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত চক্রান্ত কি না, তা খতিয়ে দেখতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ধৃত ব্যক্তি পরে চাপের মুখে আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, যাচাই না করেই তিনি ভিডিওটি শেয়ার করেছিলেন। পুলিশের তরফে সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার এবং যাচাই না করে কোনও ভিডিও শেয়ার না করার আবেদন জানানো হয়েছে।