स्थानीय
বেলপাহাড়ী ঘাগরা জলপ্রপাত এলাকায় তিনজনের মৃত্যু
বেলপাহাড়ী ঘাগরা জলপ্রপাত এলাকায় একের পর এক জলে তলিয়ে যাওয়ার মর্মান্তিকআশ্চর্যজনক ঘটনা।
বেলপাহাড়ী ঘাগরা জলপ্রপাত এলাকায় আবারও মৃত্যু ঘটেছে।
একজন মহিলা জলপ্রপাতের নিকটবর্তী জলে তলিয়ে মারা যান।
এর পরপরই আরও দু'জন ব্যক্তি একই জলে তলিয়ে মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তিন বন্ধু।
তখনই পা পিছলে তলিয়ে যান দু’জন। সাঁতার কেটে বন্ধুদের
উদ্ধার করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তৃতীয় জন।
রবিবার জলে তলিয়ে মৃত্যু হল দুই বন্ধুর। জলে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তিন বন্ধু। তখনই পা পিছলে তলিয়ে যান দু’জন। সাঁতার কেটে বন্ধুদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তৃতীয় জন। পাড়ে উঠে স্থানীয়দের সাহায্য চান তিনি। পরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় দু’জনের দেহ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের নাম কুমারেশ দাস ও সোমরাজ দে। দু’জনের বয়স ১৯। কুমারেশ ও সোমরাজের বাড়ি যথাক্রমে রঘুনাথপুর ও জামদায়। অপর বন্ধু কৃষেন্দু সিংহের (১৯) বাড়ি রাধানগরে। তিন জনেই ঝাড়গ্রামের একটি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমেস্টারের পড়ুয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘণিষ্ঠতার কারণে তিন বন্ধু পরিচিত ছিলেন ‘থ্রি মাসকেটিয়ার্স’ নামে। রবিবার বাইক নিয়ে বেরিয়ে শহর থেকে কিছু দূরে জারালাটা এলাকার একটি পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তাঁরা। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, তিন বন্ধু মাঝে মাঝেই বাইকে করে ঘুরতে বেরোতেন। ওই পুকুরে আগেও গিয়েছিলেন তাঁরা। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে খবর, পুকুরে নামার পর কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলেন তিন বন্ধু। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। সাঁতার জানা কৃষ্ণেন্দু চেষ্টা করেও দু’জনকে টেনে তুলতে পারেননি। পাড়ে উঠে চিৎকার করে স্থানীয়দের ডাকেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। পরে প্রায় এক ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় দু’জনের দেহ। স্থানীয় থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধারের পরে দু’জনের দেহ রাখা হয়েছে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের মর্গে। সোমবার ময়নাতদন্ত হবে।
একজন মহিলা জলপ্রপাতের নিকটবর্তী জলে তলিয়ে মারা যান।
এর পরপরই আরও দু'জন ব্যক্তি একই জলে তলিয়ে মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তিন বন্ধু।
তখনই পা পিছলে তলিয়ে যান দু’জন। সাঁতার কেটে বন্ধুদের
উদ্ধার করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তৃতীয় জন।
রবিবার জলে তলিয়ে মৃত্যু হল দুই বন্ধুর। জলে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তিন বন্ধু। তখনই পা পিছলে তলিয়ে যান দু’জন। সাঁতার কেটে বন্ধুদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তৃতীয় জন। পাড়ে উঠে স্থানীয়দের সাহায্য চান তিনি। পরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় দু’জনের দেহ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের নাম কুমারেশ দাস ও সোমরাজ দে। দু’জনের বয়স ১৯। কুমারেশ ও সোমরাজের বাড়ি যথাক্রমে রঘুনাথপুর ও জামদায়। অপর বন্ধু কৃষেন্দু সিংহের (১৯) বাড়ি রাধানগরে। তিন জনেই ঝাড়গ্রামের একটি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমেস্টারের পড়ুয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘণিষ্ঠতার কারণে তিন বন্ধু পরিচিত ছিলেন ‘থ্রি মাসকেটিয়ার্স’ নামে। রবিবার বাইক নিয়ে বেরিয়ে শহর থেকে কিছু দূরে জারালাটা এলাকার একটি পুকুরে স্নান করতে নেমেছিলেন তাঁরা। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, তিন বন্ধু মাঝে মাঝেই বাইকে করে ঘুরতে বেরোতেন। ওই পুকুরে আগেও গিয়েছিলেন তাঁরা। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে খবর, পুকুরে নামার পর কিছুটা এগিয়ে গিয়েছিলেন তিন বন্ধু। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। সাঁতার জানা কৃষ্ণেন্দু চেষ্টা করেও দু’জনকে টেনে তুলতে পারেননি। পাড়ে উঠে চিৎকার করে স্থানীয়দের ডাকেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশেও। পরে প্রায় এক ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় দু’জনের দেহ। স্থানীয় থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধারের পরে দু’জনের দেহ রাখা হয়েছে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের মর্গে। সোমবার ময়নাতদন্ত হবে।