বাঁকুড়ার জয়পুরে চারশো বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য! বিজয়া দশমীতে মজে উঠল ঐতিহাসিক 'কাদাখেলা' উৎসবে
বাঁকুড়ার জয়পুরে চারশো বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য! বিজয়া দশমীতে মজে উঠল ঐতিহাসিক 'কাদাখেলা' উৎসবে
বাঁকুড়ার জয়পুরে চারশো বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য! বিজয়া দশমীতে মজে উঠল ঐতিহাসিক 'কাদাখেলা' উৎসবে
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া:
মা দুর্গাকে চোখের জলে বিদায় জানানোর পালা, সিঁন্দুর খেলার আনন্দের মাঝেই বিজয়া দশমীর দিনে এক সম্পূর্ণ অন্য ছবি ধরা পড়ল বাঁকুড়া জেলার জয়পুর ব্লকের ঐতিহাসিক বৈতল গ্রামে। প্রচলিত প্রথা মেনে এখানে বিজয়া দশমী মানেই চারশো বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী 'কাদাখেলা' বিজয়োৎসব। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আবালবৃদ্ধবনিতা থেকে শুরু করে দূরদূরান্তের মানুষ মেতে উঠলেন এই অনন্য উৎসবে।
বৈতল গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই পুজোর মূল আরাধ্যা দেবী হলেন মা 'ঝগড়াই ভঞ্জনী দেবী'। দুর্গা পুজোর সমস্ত রীতি-নিয়ম মেনেই মন্দির প্রাঙ্গণে বিশেষভাবে মাটির বাঁধ নির্মাণ করা হয় এবং তাতে এক হাঁটু পর্যন্ত জল ভরে রাখা হয়। আর এই পবিত্র জল ও কাদার মিশ্রণেই শুরু হয় উৎসবের মূল আকর্ষণ—কাদাখেলা।
দশমীর সকাল থেকেই নারী-পুরুষ পৃথকভাবে এই কাদাখেলায় অংশ নেন। গায়ে কাদা মেখে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ভ্রাতৃত্ববোধ, ভক্তিপূর্ণ সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও বিজয়োল্লাস প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। শুধু বৈতল গ্রামই নয়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ছাড়াও পার্শ্ববর্তী হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকেও বহু মানুষ এই কাদাখেলা দেখতে ও উৎসবে সামিল হতে ভিড় জমান।
সকাল থেকে শুরু হওয়া এই আবেগ ও উন্মাদনার কাদাখেলা চলে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত। অবশেষে পাশের হিজলডিহা গ্রামের বক্সি পরিবারের প্রতিনিধি এসে মন্দির প্রাঙ্গণের ওই মাটির বাঁধ কেটে জল বের করে দিলে তবেই সম্পন্ন হয় এই পবিত্র কাদাখেলা উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি। শত শত বছরের প্রাচীন এই প্রথা বজায় রেখে আজও গ্রামের মানুষ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির গড়ে চলেছেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া:
মা দুর্গাকে চোখের জলে বিদায় জানানোর পালা, সিঁন্দুর খেলার আনন্দের মাঝেই বিজয়া দশমীর দিনে এক সম্পূর্ণ অন্য ছবি ধরা পড়ল বাঁকুড়া জেলার জয়পুর ব্লকের ঐতিহাসিক বৈতল গ্রামে। প্রচলিত প্রথা মেনে এখানে বিজয়া দশমী মানেই চারশো বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী 'কাদাখেলা' বিজয়োৎসব। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আবালবৃদ্ধবনিতা থেকে শুরু করে দূরদূরান্তের মানুষ মেতে উঠলেন এই অনন্য উৎসবে।
বৈতল গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই পুজোর মূল আরাধ্যা দেবী হলেন মা 'ঝগড়াই ভঞ্জনী দেবী'। দুর্গা পুজোর সমস্ত রীতি-নিয়ম মেনেই মন্দির প্রাঙ্গণে বিশেষভাবে মাটির বাঁধ নির্মাণ করা হয় এবং তাতে এক হাঁটু পর্যন্ত জল ভরে রাখা হয়। আর এই পবিত্র জল ও কাদার মিশ্রণেই শুরু হয় উৎসবের মূল আকর্ষণ—কাদাখেলা।
দশমীর সকাল থেকেই নারী-পুরুষ পৃথকভাবে এই কাদাখেলায় অংশ নেন। গায়ে কাদা মেখে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ভ্রাতৃত্ববোধ, ভক্তিপূর্ণ সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও বিজয়োল্লাস প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। শুধু বৈতল গ্রামই নয়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ছাড়াও পার্শ্ববর্তী হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকেও বহু মানুষ এই কাদাখেলা দেখতে ও উৎসবে সামিল হতে ভিড় জমান।
সকাল থেকে শুরু হওয়া এই আবেগ ও উন্মাদনার কাদাখেলা চলে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত। অবশেষে পাশের হিজলডিহা গ্রামের বক্সি পরিবারের প্রতিনিধি এসে মন্দির প্রাঙ্গণের ওই মাটির বাঁধ কেটে জল বের করে দিলে তবেই সম্পন্ন হয় এই পবিত্র কাদাখেলা উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি। শত শত বছরের প্রাচীন এই প্রথা বজায় রেখে আজও গ্রামের মানুষ সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির গড়ে চলেছেন।